কলকাতার মিষ্টান্ন তৈরির মূল কাঁচামালটা দূর মফস্বলের ফুলিয়া থেকে সাপ্লাই হয়। লোকাল ট্রেন না চালানোয় এই সাপ্লাই-এ প্রচন্ড অসুবিধার মধ্যে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। ট্রেন চালু থাকলে শান্তিপুর- শিয়ালদা লাইনে দুপুর ১-১২ ও ২-২২ -এর ট্রেনে অন্তত ৫০০ জন প্রতিদিন শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষা ছানা নিয়ে যেতেন। রেলের একটা বিরাট রেভিনিউ থাকত। ৫৩৫ টাকা ভেন্ডার টিকিট ও মাল বুকিং সহ একটা বিরাট অঙ্কের টাকা আসত ছানা ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে। ব্যবসায়ীদের মাল নিয়ে যাওয়ার কোনো চিন্তা থাকতো না।
ওস্তাগরের দলিজে কামধান্দার খোঁজে বিহার থেকে ফিরছেন শ্রমিকরা
আমরা পনেরো বছর ধরে এই লাইনে আছি, একটা তজরুবা হয়ে গেছে। যদি কাল আচ্ছা কাম কিছু পাই তো এটা ছেড়ে দেব। এক-একটা বস্তা সত্তর-আশি কেজি ওজন। আমরা ভ্যানে করে ওস্তাগরদের ঘর থেকে নিয়ে আসি, কোম্পানি লরিতে করে নিয়ে যায়। বয়স্ক লোক এই কাজ করতেই পারবে না। কেউ হয়তো এখান থেকে থোড়া পুঁজি বানিয়ে গ্রামে ছোটামোটা দোকান চালাচ্ছে।
চীনা পণ্য বেচেই দিন চলছে সুশান্তদের
করোনাকালে প্রায় আড়াই মাস বসে ছিলেন। এখন মাসখানেক কাজে বেরচ্ছেন। দৈনিক দু’তিনশ টাকার বিক্রি হচ্ছে। দুই ছেলেমেয়ে আর বউ কে নিয়ে কোনোরকমে দিন গুজরান হচ্ছে।
কাজ হারিয়ে যখন দু’আড়াই মাস বসে খেয়েছেন তখন সামান্য সোনার গহনাতেও হাত পড়েছে বলে আক্ষেপের সুরে জানালেন। সে কথায় রঙ বেরঙের নানা কৃত্রিম ফুল বিক্রেতা সুশান্তর মুখটা বেরঙিন হয়ে উঠতে দেখা গেল।
তাঁতী এমনিতে ভালো কিন্তু অভিমান বিশাল
লকডাউনের ফলে কাপড়ের হাট বন্ধ হয়ে যায়, মহাজন কাপড় নেওয়া বন্ধ করে দেয়, বন্ধ হয়ে যায় বাইরে থেকে সুতো আসা। স্থানীয় দোকানেও সুতোর আকাল শুরু হয়ে যায়। একদিকে সুতোর অভাব, অন্যদিকে কাপড় বিক্রি বন্ধ হবার ফলে খোকন দেবনাথের তাঁত বন্ধ হয়ে যায়। তাঁতিরা অসুবিধার মধ্যে পড়ে যায়। নিজের তাঁতি অর্থাভাবে নানা সমস্যায় দিন কাটাচ্ছেন, তাই দেখে ধার দেনা করে নিজের থেকে তাদের সামান্য সাহায্যের চেষ্টাও প্রথম দিকে হয়তো করেন। কিন্তু লকডাউনের বহর ক্রমশ বাড়তেই থাকে। তাতে সমস্যা তীব্র হতে থাকে খোকন দেবনাথের। মানসিকভাবে চরম চাপে পড়ে যান।
চীনের সাথে চুলের ব্যবসা। বেলডাঙার বিদেশ-ব্যাপারী
পর্ণব। বেলডাঙা। ৩ অগাস্ট, ২০২০।# বেলডাঙ্গা স্টেশনের তিন নম্বর লাইনে চেন দিয়ে বাঁধা আছে শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন। তাই ঘাড়ে সাইকেল তুলে রেলব্রীজ পেরনোর মুখে চোখে পড়ল এক নম্বর প্লাটফর্মের বাইরে সার সার কাঁচের চুরির দোকান ফাঁকা পড়ে আছে বকরীদের আগের দিন। খোঁজ করছিলাম চীনেদের পাড়া। এক ছেলে বলল, ও সেই ইংরেজরা ? চীন থেকে যখন […]
- « Previous Page
- 1
- 2
- 3
- 4
- …
- 32
- Next Page »





সাম্প্রতিক মন্তব্য