লকডাউনের ফলে কাপড়ের হাট বন্ধ হয়ে যায়, মহাজন কাপড় নেওয়া বন্ধ করে দেয়, বন্ধ হয়ে যায় বাইরে থেকে সুতো আসা। স্থানীয় দোকানেও সুতোর আকাল শুরু হয়ে যায়। একদিকে সুতোর অভাব, অন্যদিকে কাপড় বিক্রি বন্ধ হবার ফলে খোকন দেবনাথের তাঁত বন্ধ হয়ে যায়। তাঁতিরা অসুবিধার মধ্যে পড়ে যায়। নিজের তাঁতি অর্থাভাবে নানা সমস্যায় দিন কাটাচ্ছেন, তাই দেখে ধার দেনা করে নিজের থেকে তাদের সামান্য সাহায্যের চেষ্টাও প্রথম দিকে হয়তো করেন। কিন্তু লকডাউনের বহর ক্রমশ বাড়তেই থাকে। তাতে সমস্যা তীব্র হতে থাকে খোকন দেবনাথের। মানসিকভাবে চরম চাপে পড়ে যান।
‘দিনগুলি মেঘাচ্ছন্ন, মৃত্যুর খবর দিচ্ছে দিনগুলি’
অমিতাভ সেন, কলকাতা, ৩০ মে# কাল রাত থেকে ইলশেগুঁড়ি। আজ সারাদিন আকাশ ঝুরছে। বাদলা হাওয়ায় দোতলার ফাঁকা ঘরে ধাঁই ধাঁই করে দরজার কপাট পড়ছে। ওরা চলে যাওয়ার সময় ভিতরের দরজা ভালো করে লাগায়নি। হঠাৎ হঠাৎ দরজার পাল্লা মাথার উপর ধড়াম করায় চমকে উঠছি। এমনিতে বন্ধু দীলিপ আত্মহত্যা করায় মনটা খুব নরম হয়ে পড়েছে। তারপর মেঘে […]

সাম্প্রতিক মন্তব্য