শমিত। শান্তিপুর। ১৯ জুলাই, ২০২০। # আমরা কোনো ফলের গাছ দিচ্ছিনা। শুধু কাঠের গাছ দেওয়া হচ্ছে। – পলাশগাছির বিট অফিসারের কথায় পাশ থেকে কে যেন ফুট কাটল – নাহলে বৃক্ষচ্ছেদন হবে কী করে? ১৪-২০ জুলাই অরণ্যসপ্তাহ উপলক্ষ্যে রাজ্যব্যাপী বনমহোৎসব শুরু হয়েছে। রাজ্য জুড়ে চারাগাছ বিতরণও করা হচ্ছে। শান্তিপুর ব্লকের নদিয়া- মুর্শিদাবাদ বনবিভাগের তরফে বাহাদুরপুর পলাশগাছি […]
কসবা-হালতু এলাকার বেশ কয়েকটি পুকুর সংস্কারের অভাবে ধুঁকছে, বোজানোর অপেক্ষায়
দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব কোলকাতায় ধীরে ধীরে লোকসংখ্যা বাড়তে থাকলে ক্রমশ প্রায় সমস্ত জলাজমিই ছোট ছোট প্লটে বিক্রি হয়ে থাকে, এমনকি বড় বড় ঝিলও প্লটিং করে বিক্রি হতে শুরু করে।
পূর্ব পুটিয়ারিতে আঞ্চলিক পরিবেশের সচিত্র প্রদর্শনী পরিবেশ দিবসে
প্রদর্শনীতে একদিকে যেমন ছিল বর্জিত প্লাস্টিক কীভাবে অঞ্চলের জমি, খাল ও পুকুরকে নষ্ট করে দিচ্ছে তার ছবি, অন্যদিকে কীভাবে পুরনো বাড়ি ভেঙে গাছপালা কেটে বহুতল আবাসন হচ্ছে, সেসব।
তপ্ত কলকাতা : হালতু গড়ফা পালবাজারের বাজার এলাকা বৃক্ষশূণ্য, দোকান আর ফ্ল্যাটে পূর্ণ
আগে বাজারের মধ্যে দুপুরের দিকে যে আইসক্রীম, আচার, আখ বিক্রি করতো তারা প্রত্যেকেই এক একটা গাছের তলা বেছে নিত। রোদের থেকে গা বাঁচাতে। এমনি যারা পেয়ারা,কামরাঙ্গা, সবেদা, আমড়া নিয়ে বসতো তারাও কোন একটা গাছের ছায়া খুঁজে নিত। আজ কিন্তু দুপুরের রোদে এই বাজার গুলিতে আর তাদের দেখা পাওয়া যায় না। তারা স্কুলের গেটের কাছেই শুধু বিক্রি করে। সেদিনের গাছগুলো আর নেই। নেই সেই বিক্রিয়ালারাও।
“বড়ো ড্যাম প্রজেক্টের মালিকেরা দলমত-নির্বিশেষে সব নেতাদের কিনে নেয়, কিন্তু গিয়াৎসো-কে পারেনি”
নতুন বড়ো ড্যামের জন্য জমি অধিগ্রহণ করা হচ্ছে। মনপাদের জমির ওপর এক ধরনের সমাজগত অধিকার আছে, অন্য কোনো জাতের মানুষ সেই জমি কেনাবেচা করতে পারে না। এই পাহাড়ি জেলার অর্ধেক জমি মিলিটারি আর সরকারি প্রশাসনের জন্য চলে গেছে। ফলে মনপা এবং স্থানীয়দের মধ্যে একটা বিপন্নতা বোধ বেড়ে উঠেছে।
- « Previous Page
- 1
- 2
- 3
- 4
- 5
- …
- 18
- Next Page »




সাম্প্রতিক মন্তব্য