মধ্যবিত্তের পেটে খিদে থাকলেও মানসম্মানের বড় চিন্তা। তাই আবার বাইকই ভরসা – আবার ভয়- আবার চিন্তা। সকলের হয়ে আমার একটাই প্রশ্ন- এখনো কি সময় হয়নি ট্রেনের লকডাউন ছাড়াবার? কারণ এবার যে রোগের চেয়ে পেটের জ্বালায় মরার সময় এসে গেছে। যারা সর্বময় কর্তা তাদের কাছে আমাদের মত স্বল্প বেতনের নিম্ন বেতনের নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষ তাদের হয়ে আমার সনির্বন্ধ অনুরোধ, সচেতনতা বাড়িয়ে যদি ট্রেনের চাকা গড়ানো যায় তাহলে আমাদের মত অনেককেই জীবন বাজি রাখতে হবেনা।
হুকুম হল- ‘ন্যাড়ার এক টাকা জরিমানা। অনাদায়ে তিনমাস জেল আর সাতদিনের ফাঁসি।’
ওঁকে সাজা দিলে, একদল ওঁকে শহিদ বলে লিখবে, আর একদল লিখবে যে উনি উচিত সাজা পেয়েছেন। আমরা সকল এই বিতর্কের অবসান চাই। বিচার ব্যবস্থার প্রাজ্ঞতার মধ্য দিয়ে তা হতে পারে। সাজার ফল হতে পারে, উনি শহিদ হবেন। দয়া করে সেটা করবেন না। উনি শহিদ হতে চান না।
এ ভরা বাদর মাহ ভাদর / শূণ্য মন্দির মোর
বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন, ১৯৭২ অনুযায়ী ময়ূর কারো অধিকারভোগে এলে তাকে তৎক্ষণাৎ গ্রেপ্তার করা যায় এবং সাত বছরের জেল কিম্বা ৬০,০০০ টাকা জরিমানা কিম্বা দুটোই হতে পারে।
ক্ষমা চাওয়ার অর্থ নিছক মন্ত্র আওড়ানো হতে পারেনা। কোনো ক্ষমাপ্রার্থনা হতে হবে অকপট
আমি বিশ্বাস করি যে সুপ্রিম কোর্টই মৌলিক অধিকার, প্রহরী প্রতিষ্ঠানসমূহ এবং স্বয়ং সাংবিধানিক গণতন্ত্র রক্ষার সর্বোচ্চ দুর্গ। যথার্থই বলা হয়ে থাকে যে এটি গণতান্ত্রিক দুনিয়ায় সবচেয়ে শক্তিশালী ন্যায়ালয় এবং নিয়ত সারা দুনিয়ার বিচারালয়গুলির একটি দৃষ্টান্তস্বরূপ। আজকের এই সমস্যাঘন সময়ে, ভারতের অধিবাসীরা তাদের প্রত্যাশা এই আদালতের পরে ন্যস্ত করে আইনের শাসন সুনিশ্চিত করতে, তার কার্যনির্বাহীদের অবাধ শাসনের উপর নয়।
গণতন্ত্রে বিচারব্যবস্থার সমালোচনা নাজায়েজ? অনমনীয় প্রশান্ত ভূষণকে দন্ড দিতে হিমশিম সুপ্রিম কোর্ট
প্রশান্ত ভূষণ : ‘এরকম অনেক রয়েছে। বিচারপতি কাপাডিয়া উড়িষ্যার নিয়ামগিরিতে মাইনিং লিজের মামলায় সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, বেদান্ত লিজ পেতে পারে না, কারণ নরওয়ের সরকার ওদের ব্ল্যাকলিস্টেড করেছে। কিন্তু বেদান্তের সাবসিডিয়ারি কোম্পানি স্টারলাইট লিজ পেতে পারে, কারণ তারা সরকারি তালিকাভুক্ত কোম্পানি। বিচারপতি কাপাডিয়া এটাকে সরকারি তালিকাভুক্ত বলেছিলেন কারণ এই কোম্পানিতে ওঁর নিজের শেয়ার ছিল আর তাই তিনি স্টারলাইটের পক্ষে একটা অর্ডার পাশ করে দিলেন! যেখানে স্বার্থের সংঘাত রয়েছে সেক্ষেত্রে বিচারপতিদের মামলা শোনার বিষয়ে একটা আইন আছে। কিন্তু ওঁরা সেটা এড়িয়ে গেলেন এবং আপনি সেটা নিয়ে অভিযোগ করতে পারবেন না। কারণ সেক্ষেত্রে কনটেম্পট বা আদালত অবমাননা হয়ে যাবে।





সাম্প্রতিক মন্তব্য