জোরে গাড়ি ছোটানোর জন্য লোকে বাইপাস ব্যবহার করে, আবার দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা থেকে কাজের খোঁজে শহরে আগত গরীব মানুষেরা নিরুপায় হয়ে সাইকেল বেছে নেয়। কাজ নেই, রোজগার নেই, হাতে পয়সা নেই। বিপর্যস্ত মানুষ গাড়িভাড়া জোগাড় করবে কীভাবে? তাই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে, লজঝরে সাইকেল নিয়ে বেড়িয়ে পড়েছেন। সাইকেলের কলকব্জা দড়ি নতুবা তার দিয়ে বাঁধা। সাইকেলে টিউবের পরিবর্তে শুকনো কলা গাছ। তিরিশ চল্লিশ এমনকি পঞ্চাশ কিঃমিঃ দূর থেকে পরিবারের মুখে একমুঠো ভাত জোগাড়ের জন্য হার না মানা জেদে এরা কলকাতায় আসছেন। কিন্তু কলকাতা শহরে রাস্তা সাইকেল চালানোর জন্য নিরাপদ নয়।
নিউ নরম্যালে মেট্রোর চাকা গড়িয়েছে, এখনও কেন অচল-অনড় রয়েছে লোকাল ট্রেন?
মধ্যবিত্তের পেটে খিদে থাকলেও মানসম্মানের বড় চিন্তা। তাই আবার বাইকই ভরসা – আবার ভয়- আবার চিন্তা। সকলের হয়ে আমার একটাই প্রশ্ন- এখনো কি সময় হয়নি ট্রেনের লকডাউন ছাড়াবার? কারণ এবার যে রোগের চেয়ে পেটের জ্বালায় মরার সময় এসে গেছে। যারা সর্বময় কর্তা তাদের কাছে আমাদের মত স্বল্প বেতনের নিম্ন বেতনের নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষ তাদের হয়ে আমার সনির্বন্ধ অনুরোধ, সচেতনতা বাড়িয়ে যদি ট্রেনের চাকা গড়ানো যায় তাহলে আমাদের মত অনেককেই জীবন বাজি রাখতে হবেনা।
হুকুম হল- ‘ন্যাড়ার এক টাকা জরিমানা। অনাদায়ে তিনমাস জেল আর সাতদিনের ফাঁসি।’
ওঁকে সাজা দিলে, একদল ওঁকে শহিদ বলে লিখবে, আর একদল লিখবে যে উনি উচিত সাজা পেয়েছেন। আমরা সকল এই বিতর্কের অবসান চাই। বিচার ব্যবস্থার প্রাজ্ঞতার মধ্য দিয়ে তা হতে পারে। সাজার ফল হতে পারে, উনি শহিদ হবেন। দয়া করে সেটা করবেন না। উনি শহিদ হতে চান না।
এ ভরা বাদর মাহ ভাদর / শূণ্য মন্দির মোর
বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন, ১৯৭২ অনুযায়ী ময়ূর কারো অধিকারভোগে এলে তাকে তৎক্ষণাৎ গ্রেপ্তার করা যায় এবং সাত বছরের জেল কিম্বা ৬০,০০০ টাকা জরিমানা কিম্বা দুটোই হতে পারে।
ক্ষমা চাওয়ার অর্থ নিছক মন্ত্র আওড়ানো হতে পারেনা। কোনো ক্ষমাপ্রার্থনা হতে হবে অকপট
আমি বিশ্বাস করি যে সুপ্রিম কোর্টই মৌলিক অধিকার, প্রহরী প্রতিষ্ঠানসমূহ এবং স্বয়ং সাংবিধানিক গণতন্ত্র রক্ষার সর্বোচ্চ দুর্গ। যথার্থই বলা হয়ে থাকে যে এটি গণতান্ত্রিক দুনিয়ায় সবচেয়ে শক্তিশালী ন্যায়ালয় এবং নিয়ত সারা দুনিয়ার বিচারালয়গুলির একটি দৃষ্টান্তস্বরূপ। আজকের এই সমস্যাঘন সময়ে, ভারতের অধিবাসীরা তাদের প্রত্যাশা এই আদালতের পরে ন্যস্ত করে আইনের শাসন সুনিশ্চিত করতে, তার কার্যনির্বাহীদের অবাধ শাসনের উপর নয়।





সাম্প্রতিক মন্তব্য