৩১ ডিসেম্বর, জিতেন নন্দী, রবীন্দ্রনগর, মহেশতলা# পরশু রাতে ঘুমের ঘোরে সকলের অগোচরে চলে গেলেন অনিল তপাদার। পাশে শুয়েছিলেন ওঁর স্ত্রী; পাশের ঘরে ছেলে, বউমা এবং নাতনি। কেউ টেরও পেল না। সকালে উঠে ডাকাডাকি করতে গিয়ে টের পাওয়া গেল চলে গেছেন তিনি। মহেশতলা রবীন্দ্রনগরের বাসিন্দা অনিল তপাদার ছিলেন নিতান্তই এক সাধারণ মানুষ। খুব বেশি কথা বলতেন […]
পশ্চিমবাংলার প্রথম মহিলা প্রধানের স্মরণসভা
কামরুজ্জামান, মেচেদা, ১৩ ডিসেম্বর# ১৯৭৮ সালে বর্তমান পঞ্চায়েত ব্যবস্থার প্রথম নির্বাচনে জিতে শকুন্তলা মণ্ডল প্রথম মহিলা প্রধান হয়েছিলেন। শকুন্তলা মণ্ডলের জন্ম কলকাতার মেটিয়াবুরুজে ১৯৩৫ সালে। শৈশবে পিতামাতা বিয়োগান্তে শকুন্তলা লালিত পালিত হন তার দিদিমার কাছে। তিনি প্রথম থেকেই এক প্রতিবাদী চরিত্রের মহিলা ছিলেন। তদানীন্তন মেদিনীপুরের পাঁশকুড়া ২, বর্তমানে পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কোলাঘাট ব্লকের গোপালনগর গ্রাম […]
একজন পরার্থপর মানুষ অশোক সেকসেরিয়া চলে গেলেন
তমাল ভৌমিক, কলকাতা, ৩০ নভেম্বর# ২৯ নভেম্বর ২০১৪ রাতে অশোক সেকসেরিয়া মারা গেলেন জিডি হাসপাতালে। কয়েকদিন আগে বিছানা থেকে পড়ে গিয়ে ফিমার বোন ভেঙ্গে গিয়েছিল তাঁর। দিন তিনেক আগে ফিমার বোন অপারেশন করা হয় জিডি হাসপাতালে। তারপর পরপর দুটো স্ট্রোক হয়, যার ধাক্কা আর সামলাতে পারেননি আশি বছর বয়স্ক এই সমাজকর্মী ও সাহিত্যসেবী। ১৯৩৪ সালে […]
বাড়ির ছাদে সবুজ কৃষিখেত রেখে রতনদা চলে গেলেন
মহিদুল মণ্ডল, কল্যাণগড়, ১৪ নভেম্বর# মানুষটার সাথে বাজারেই আলাপ হয়েছিল। একদিন কথায় কথায় ওঁর বাড়ির কথা একটু বললেন — চলো আমার বাড়িটা দেখে আসবে চলো। কল্যাণগড় বাজারসংলগ্ন বাড়িটা দেখে চমকে গেলাম। একতলা ছোট্ট বাড়ির ছাদটা যেন একটা সবুজ কৃষিক্ষেত্র। ওই ছাদে কত কী চাষ করেছেন! ছাদের ওপর মাচার পরে বড়ো বড়ো পটল ঝুলছে, আর পটল […]
কুণালদা চলে গেলেন
শান্তনু চক্রবর্তী, কলকাতা, ১৩ জুন# শমীক ‘অবিচুয়ারি’ লিখতে বলেছিল। কিন্তু অবিচুয়ারি লিখতে অনেক ‘তথ্য’ লাগে। কুণালদা সম্পর্কে অনেক ‘তথ্য’ আমার জানা নেই। বরং যে কুণাল গুহ রায়-কে দেখেছি চিনেছি তার সম্পর্কে একটু লিখি। সমাজকর্মী ও পরিবেশকর্মী হিসেবে কুণাল গুহ রায়ের ভূমিকা নিয়ে দীর্ঘ রচনার সুযোগ আছে। টালিগঞ্জের অশোকনগর বাজারকে প্রোমোটারের থাবা থেকে রক্ষা করার ক্ষেত্রে […]




সাম্প্রতিক মন্তব্য