অতিমারীর সময় যখন সরকার দেশের সমস্ত নাগরিকদের ঘরে থাকার নিদান দিচ্ছে প্রতিদিন, তখন দেশের কোথাও না কোথাও প্রতি ঘন্টায় ২৫ জন করে ঘর ছাড়া হচ্ছেন। উচ্ছেদ ও ঘরভাঙা হচ্ছে যথাক্রমে ৫২০ জন ও ১১০ টি। মহামারীর সময় জোর করে উচ্ছেদ হয়েছে মার্চ থেকে জুলাই মাসে প্রায় ২৫ হাজার মানুষ। ২০১৭-১৯ সালে বাড়ি ভাঙা হয়েছে ১ লাখ ১৮ হাজার। এই সময় পর্বে অর্থাৎ তিন বছরে প্রায় ছ’লাখ মানুষকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। বলা বাহুল্য দেশের গরীব, প্রান্তিক স্তরের মানুষ এই উচ্ছেদের শিকার।
ক্ষমা চাওয়ার অর্থ নিছক মন্ত্র আওড়ানো হতে পারেনা। কোনো ক্ষমাপ্রার্থনা হতে হবে অকপট
আমি বিশ্বাস করি যে সুপ্রিম কোর্টই মৌলিক অধিকার, প্রহরী প্রতিষ্ঠানসমূহ এবং স্বয়ং সাংবিধানিক গণতন্ত্র রক্ষার সর্বোচ্চ দুর্গ। যথার্থই বলা হয়ে থাকে যে এটি গণতান্ত্রিক দুনিয়ায় সবচেয়ে শক্তিশালী ন্যায়ালয় এবং নিয়ত সারা দুনিয়ার বিচারালয়গুলির একটি দৃষ্টান্তস্বরূপ। আজকের এই সমস্যাঘন সময়ে, ভারতের অধিবাসীরা তাদের প্রত্যাশা এই আদালতের পরে ন্যস্ত করে আইনের শাসন সুনিশ্চিত করতে, তার কার্যনির্বাহীদের অবাধ শাসনের উপর নয়।
সড়ক পরিবহণে অচলাবস্থা : ট্রাক পিছু প্রতি ট্রিপে পঁয়ত্রিশ হাজার টাকা ক্যাশ লাগে, এখন কী হবে!
আয়কর বিভাগের আইনেই আছে, ট্রাক পিছু প্রতি ট্রিপে ৩৫,০০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশ-এ রাখা যায়। কিন্তু এখন ক্যাশের এই সীমাবদ্ধতার জন্য প্রায় কোনো টাকাই রাখা যাবে না।
‘সাবঅল্টার্ন কথা বলতে পারে, কথা বলছে; আপনারা শুনতে চান তো?’
আমি বলি, সাবঅল্টার্নরা কথা বলতে পারে। এবং তারা কথা বলতে পারে সম্ভ্রমের সঙ্গে। আপনারা কি শোনার জন্য তৈরি? আপনারা তো কখনোই শুনতে চাননি — রাহুল সোনপিম্পলে।
কাশ্মীরে জনবিক্ষোভে এবার খোদ সেনাবাহিনীর গুলি, রাষ্ট্রপুঞ্জের হস্তক্ষেপ দাবি মানবাধিকার কর্মীদের
ওয়ানির মৃত্যুর পর ৯ জুলাই থেকে চলা জনবিদ্রোহে মৃতের সংখ্যা ৪৬। দু-জন মহিলা। আহত দু-হাজারের ওপর। একশো নব্বই জনের অবস্থা সঙীন। কার্ফু জারি। টেলিযোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। ট্রেন বন্ধ। সোমবার পর্যন্ত কাগজ বন্ধ।
- « Previous Page
- 1
- 2
- 3
- 4
- 5
- …
- 51
- Next Page »





সাম্প্রতিক মন্তব্য