সভ্যতার গোডাউন আসলে জতুগৃহ, প্রভাতী সাইকেল সফর সেরে ফেরার সময় একথাই বলল সঙ্গী অনিলদা। আমি ভাবছিলাম, পাঁচশ’ টাকা রোজ-এ ডেকোরেটরের কাজ করতে এত দূর দূর থেকে এরা আসে! অনিলদা বলল, মাসে ১০-১২-১৫ হাজার, এটাই তো লেবারদের আয়। সে যে কাজই হোক। ঠিকই। পরিসংখ্যানও তাই। একশ’ দিনের কাজ উঠে গেছে বেশ কয়েক বছর। ফলে কম পয়সায় লেবার পাওয়াও বেড়েছে নিশ্চয়ই। আর-বাংলার এক সাংবাদিক অ্যাঙ্করিং করছিল লাইভ, “কর্মসংস্থান হচ্ছে মানছি, কিন্তু এইভাবে জলাজমির মধ্যে… ” – কিন্তু এর নাম কর্মসংস্থান? দাহ্যবস্তুতে ভর্তি ডেকোরেটর্সের গুদামে রাতে থাকা, সেখানেই সিলিন্ডার জ্বালিয়ে রান্না, দিন গেলে আয় পাঁচশ’ টাকা। পেটের দায়ে মেদিনীপুর মুর্শিদাবাদ থেকে কলকাতা এসে বেঘোরে পুড়ে মরল যারা, তাদের এই সস্তার শ্রমেই তো আমাদের বিয়েবাড়িগুলো ঝকমক করে এই সিজনে!
১৬ ই ফেব্রুয়ারী দেশ জুড়ে শিল্প ধর্মঘট ও গ্রামীণ ধর্মঘট কীসের দাবিতে?
সুদীপ্তা পাল। দুর্গাপুর। কেন্দ্রীয় সরকারের এবং রাজ্য সরকারগুলির দ্বারা দেশি বিদেশি পুঁজিপতিদের স্বার্থে বানানো চারটি শ্রম কোড বাতিল করা, বহুজাতিক সংস্থার স্বার্থে লাগামছাড়া বেসরকারিকরণের বিরোধিতা করা, উন্নয়নের নামে প্রায় বিনামূল্যে দেশের অমূল্য সম্পদ জল-জঙ্গল-খনি-পাহাড় কর্পোরেট পুঁজির লুটের জন্য তুলে দেওয়ার বিরোধিতা করা, ২৬ টি রাষ্ট্রায়ত্ব সংস্থা জলের দরে বৃহৎ পুঁজির কাছে বেচে দেওয়ার বিরুদ্ধে, প্রতিরক্ষা […]
“লাশ নিয়ে অনেক প্রাক্টিকাল হলো …”
মধু কাকা বললো– বাচ্চা ছেলেটারে বিষ দিয়ে , বাপটারে বিষ খাইয়ে , শালি ফ্যানে গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলে পড়েছে … লকডাউন , খেতে পাচ্ছিলনা , ক্ষিদে … লাশ কাটার পর সেলাই দেওয়ায় সময় ভিতরে কিছু রুটি ঢুকিয়ে দেব , লকডাউন চলছে না !
সরকার যখন দুয়ারে – শ্রমিকরা তখন কাজের খোঁজে দূরে
একসময় মুর্শিদাবাদ ছিল অবিভক্ত বাংলা-বিহার-উড়িষ্যার রাজধানী। রাজার দেশ। এখন রাজমিস্ত্রির জেলা। জেলার লক্ষ লক্ষ শ্রমিক নির্মানশিল্পে সারা দেশের প্রায় প্রতিটি রাজ্যে। এমনকি বিদেশেও। নিজের রাজ্যের বিভিন্ন জেলাতেও রাজমিস্ত্রির কাজে যুক্ত। দুবাইতে বিশ্বের সর্বোচ্চ বাড়িটি (বার্জ খলিফা) তৈরিতেও বেলডাঙ্গা তথা মুর্শিদাবাদের রাজমিস্ত্রিদের বিরাট ভূমিকা। কলকাতায় নাখোদা মসজিদের সংস্কারের জন্যও ডাক পড়ে মুর্শিদাবাদের মিস্ত্রির। মুর্শিদাবাদের মোট জনসংখ্যার চার ভাগের এক ভাগ মানুষই জেলার বাইরে পরিযায়ী শ্রমিক। এই শ্রমিকদের দেশে বিদেশে নির্যাতিত হতে হয়। ফলে কখনো কখনো তাদের মৃত্যুও হয়। নানান অপবাদ তাদের ভাগ্যে জোটে।
‘গান গাইবি না, খাবারও পাবি না’// ফ্রান্সের মেনিল আমেলো’র ডিটেনশন ক্যাম্প থেকে অভিবাসীদের এজাহার
পুলিশ এসে বিড়বিড় করছিল, দমকলে ফোন করা, না? ঠিক আছে, দেখা যাক। তারপর সোজাসুজি আমাকেই প্রশ্ন, ‘তুই তো সবার থেকে একটু ভালোই ফরাসী জানিস। তুইই করেছিলি ফোনটা, না?’ আমি বললাম, ‘মোটেই না। মেয়েটা নিজেই করেছিল। ওর শরীরের মধ্যে কী হচ্ছে আমি বুঝব কী করে?’ একটা মেয়ে পুলিশ তেড়ে এল। এক চড় কষাতে। আমি চুপ করে যাই। ঘরে ঢুকে পড়ি। ‘-বেশ। কোভিড পরীক্ষা না করালে তিন মাস জেলে থাক’। ভোর চারটের দিকে ওরা ফের আমার ঘরে ঢোকে। দরজা যেহেতু ভাঙা, জানিয়ে ঢোকার প্রশ্নই নেই। আমি ধড়ফড় করে জেগে উঠি বিছানায়। ইতিমধ্যে ওখানে তখন…
- 1
- 2
- 3
- …
- 51
- Next Page »





সাম্প্রতিক মন্তব্য