সভ্যতার গোডাউন আসলে জতুগৃহ, প্রভাতী সাইকেল সফর সেরে ফেরার সময় একথাই বলল সঙ্গী অনিলদা। আমি ভাবছিলাম, পাঁচশ’ টাকা রোজ-এ ডেকোরেটরের কাজ করতে এত দূর দূর থেকে এরা আসে! অনিলদা বলল, মাসে ১০-১২-১৫ হাজার, এটাই তো লেবারদের আয়। সে যে কাজই হোক। ঠিকই। পরিসংখ্যানও তাই। একশ’ দিনের কাজ উঠে গেছে বেশ কয়েক বছর। ফলে কম পয়সায় লেবার পাওয়াও বেড়েছে নিশ্চয়ই। আর-বাংলার এক সাংবাদিক অ্যাঙ্করিং করছিল লাইভ, “কর্মসংস্থান হচ্ছে মানছি, কিন্তু এইভাবে জলাজমির মধ্যে… ” – কিন্তু এর নাম কর্মসংস্থান? দাহ্যবস্তুতে ভর্তি ডেকোরেটর্সের গুদামে রাতে থাকা, সেখানেই সিলিন্ডার জ্বালিয়ে রান্না, দিন গেলে আয় পাঁচশ’ টাকা। পেটের দায়ে মেদিনীপুর মুর্শিদাবাদ থেকে কলকাতা এসে বেঘোরে পুড়ে মরল যারা, তাদের এই সস্তার শ্রমেই তো আমাদের বিয়েবাড়িগুলো ঝকমক করে এই সিজনে!
গুজরাটে কৃষকের জমির দাম চুরি করে জমা করা হল বিজেপির ইলেক্টোরাল বন্ডে
অবশেষে মার্চ মাসে সুপ্রিম কোর্ট স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়াকে ইলেকটোরাল বন্ডের ব্যাপারে বিস্তারিত জানাতে বললে তখন বিষয়টা লোক জানাজানি হয়। সাভাকারা পরিবারও বুঝতে পারে, তাদের সঙ্গে চিটিং হয়েছে। ১৮ই মার্চ আঞ্জার থানায় সাভাকারা পরিবার লিখিত অভিযোগ জানায়।
“ন্যূনতম সহায়ক মূল্য আইন” এর দাবিতে উত্তর ভারতের চাষিদের দিল্লী অভিযান নিয়ে বাংলার চাষিরা কী ভাবছে?
সংবাদমন্থন প্রতিবেদন। নদিয়া। বাচ্চাদের ছবি আঁকা শেখায় গৌতমদা। জিগ্যেস করলাম, পাঞ্জাবের চাষিরা আবার দিল্লির দিকে যাচ্ছে, কিছু জানো ওদের আন্দোলনের ব্যাপারে। সটান উত্তর, আমি চাষি নই। ও নিয়ে আমার তাই আগ্রহও নেই কোনো। নিজের অল্প কিছু জমিতে সার বিষ ছাড়া শাকসব্জি চাষ করে বিক্রম। ও শুনেছে বটে কৃষক আন্দোলনের কথা। বিস্তারিত জানে না কিছু তেমন। […]
১৬ ই ফেব্রুয়ারী দেশ জুড়ে শিল্প ধর্মঘট ও গ্রামীণ ধর্মঘট কীসের দাবিতে?
সুদীপ্তা পাল। দুর্গাপুর। কেন্দ্রীয় সরকারের এবং রাজ্য সরকারগুলির দ্বারা দেশি বিদেশি পুঁজিপতিদের স্বার্থে বানানো চারটি শ্রম কোড বাতিল করা, বহুজাতিক সংস্থার স্বার্থে লাগামছাড়া বেসরকারিকরণের বিরোধিতা করা, উন্নয়নের নামে প্রায় বিনামূল্যে দেশের অমূল্য সম্পদ জল-জঙ্গল-খনি-পাহাড় কর্পোরেট পুঁজির লুটের জন্য তুলে দেওয়ার বিরোধিতা করা, ২৬ টি রাষ্ট্রায়ত্ব সংস্থা জলের দরে বৃহৎ পুঁজির কাছে বেচে দেওয়ার বিরুদ্ধে, প্রতিরক্ষা […]
কেন ফের উত্তর ভারতের কৃষকরা দিল্লির দিকে আসছে?
কৃষকরা দাবি করছে, তাদের জন্য পেনশন চালু করতে হবে; তাদের ঋণ প্রত্যাহার করতে হবে; যারা নকল বীজ, কীটনাশক ও সার বানায়, তাদের শাস্তি দিতে হবে। তাদের আরও দাবি, বর্তমান একশ’ দিনের কাজ বাড়িয়ে বছরে দু’শ দিনের কাজে পরিণত করতে হবে এবং অন্যান্য সমস্ত দেশের থেকে কৃষিপণ্যের নিঃশুল্ক আমদানির যে চুক্তি (ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্ট), সেগুলি সমস্ত বাতিল করতে হবে।
- 1
- 2
- 3
- …
- 283
- Next Page »





সাম্প্রতিক মন্তব্য