হায়দ্রাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ে আসার আগে পর্যন্ত আমি সমাজের সমস্যাগুলি সম্পর্কে ওয়াকিবহাল ছিলাম না। দলিত এবং আদিবাসীদের চরম দুর্বস্থা সম্পর্কে আমার কোনো ধারনা ছিল না। ভারতীয় সমাজের বিপজ্জনক জাত ব্যবস্থার ফলাফল সম্পর্কে আমার প্রায় কোনো ধারনা ছিল না। কিন্তু হায়দ্রাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে আমি জানতে পারি, এই জাত ব্যবস্থা কীরকম এবং তা দলিতদের কী চরম ভেদাভেদ এবং অমানবিক অবস্থার মধ্যে নিক্ষেপ করেছে।
কী ঘটেছিল দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে?
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং-এর হস্তক্ষেপে পুলিশ আমাদের হোস্টেল এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে রেইড করে। তারা জেএনইউএসইউ এর সভাপতিকে তুলে নিয়ে যায় কোনো প্রমাণ ছাড়াই, এবং কোর্ট তাকে তিনদিনের পুলিশি হেফাজত দেয়। সে স্লোগানগুলো দেয়নি।
“আমাদের দশ গ্রাম বিষ আর দড়ি দিন, ঝুলে পড়ি” — ঠিক একমাস আগে উপাচার্যকে লিখেছিল রহিত
তিনি ইচ্ছে করে একমাস ধরে চুপচাপ ছিলেন। কারণ এই দলিত গবেষকদের সঙ্গে নেমে এসে কথা বলতে তার বাধছিল। দলিত শিক্ষকরা আমাদের নিজেরাই এসে বলেছেন, ওই উপাচার্য একজন জাতকুলীন — ওঁর মাথায় সেই ঔদ্ধত্যটা গেঁড়ে বসে আছে। ও তোমাদের সঙ্গে এসে কথা বলবে না।
“আমি চলে গেলে তার জন্য আমার বন্ধু বা শত্রুদের বিব্রত কোরো না” – আত্মঘাতী গবেষক রহিত ভেমুলার শেষ চিঠি
“মানুষের মূল্য হয়ে দাঁড়িয়েছে তার আপাত সত্ত্বায় এবং আশু সম্ভবনায়। একটা ভোটে। একটা সংখ্যায়। একটা জিনিসে। কখনোই তাকে একটা মন হিসেবে নেওয়া হয় না। নক্ষত্রের কণা দিয়ে গড়া এক মহান সৃষ্টি বলে নেওয়া হয় না। প্রতিটি ক্ষেত্রে, কি পড়াশুনা, কি রাস্তাঘাট, কি রাজনীতি, কি বাঁচা-মরায়।”
অনিশ্চিত ভবিষ্যতের আশঙ্কায় সাবেক ছিটমহলের শিক্ষার্থীরা
জয়নাল আবেদিন, মশালডাঙ্গা(সাবেক ছিটমহল), কোচবিহার ১২ই জানুয়ারী,২০১৬# ২০১৫ সালের ৩১শে জুলাই এর আগে চিত্রটা ছিল একরকম। ভারতের ভেতরে থাকা ৫১টি বাংলাদেশি ছিটের বাসিন্দারা শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের মত মৌলিক অধিকার থেকে সরকারিভাবে বঞ্চিত ছিলেন। ছিটমহলবাসী হওয়ার কারণে তাঁদের কোনও ধরনের সরকারি পরিচয়পত্র না থাকায় নিজের ঠিকানা, নিজের বাবা-মায়ের পরিচয়ে স্কুলে বা কলেজে ভর্তি হতে পারতেন না। […]
- « Previous Page
- 1
- …
- 3
- 4
- 5
- 6
- 7
- …
- 51
- Next Page »





সাম্প্রতিক মন্তব্য