করোনা কতটা ভয়াবহ, এরা বুঝতে চায় না! শুধু চায় খেয়ে পড়ে বাঁচতে। অভাবী সংসারের চাকাটাকে সচল রাখতে তাই মুখিয়ে থাকে কাজের জন্য। গ্রামে কোন কাজ নেই। কৃষকরা কাজ হারিয়েছে চাষের জমি কমে যাবার জন্য। লকডাউন তাঁতিদের কর্মচ্যুত করেছে। রাজমিস্ত্রী জোগাড়েরা ঘরে বসা। ঘর করে পয়সা খরচ করার সাহস হারিয়েছে গ্রামীণ নিম্নবিত্ত বা নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষরা। তাই আর নয়, কাজের পুরনো জায়গা থেকে কেউ কাজের খবর দিলেই পা তুলে দেবে তারা। ভয় একটুও হবে না করোনার জন্য। আখের আলি বলে, “এমনিতেই তো না খেয়ে মরছি, করোনা আর কী করবে?” তাই তারা আবার অনেকে মিলে ভিন রাজ্যে যাবার জন্য প্রস্তুতি শুরু করে দেয়। আমিনের নেতৃত্বে প্রায় ৪০জন শ্রমিক ১লক্ষ ৪০হাজার টাকা দিয়ে বাস ভাড়া করে হায়দ্রাবাদের উদ্দেশ্যে বেড়িয়ে পরে গত ১৯ তারিখে।
নীমা তেনজিনদের স্বপ্ন কি সার্থক হবে ?
ভেবে দেখা যাক বিষয়টা। যদি ভারতীয় সেনাবাহিনী অথবা তার সহায়ক কোনো বাহিনীর এক কাশ্মীরি জওয়ানের মৃত্যু হত, তাহলে কি কাশ্মীরের পতাকা শবাধারে রাখা হত? কোনোদিনই হয়নি তা। আর ৬ আগস্ট ২০১৯ সংবিধানের ৩৭০ ধারা বিলোপের পর তো কাশ্মীরের সমস্ত সরকারি ভবনের ওপর থেকে কাশ্মীরের নিজস্ব পতাকাটাও নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। অথচ তিব্বতী জনসমাজ লড়ছে চীনের দখলমুক্ত হয়ে তিব্বতের স্বাধীনতার জন্য; আর কাশ্মীরি জনসমাজ লড়ছে ভারত, পাকিস্তান আর চীনের দখলদারি থেকে কাশ্মীরের স্বাধীনতার জন্য।
কোথাও লেখা ‘মুখোশ হল মুখ বন্ধ করে দেওয়ার হাতিয়ার’, কোথাও লেখা ‘নিউ নরম্যাল = নিউ ফ্যাসিজম’
করোনা অতিমারিকে চক্রান্ত বলে প্রথম থেকেই প্রচার চালিয়ে আসছেন সেলিব্রিটি এবং প্রাক্তন ফুটবলার ও ধারাভাষ্যকার ডেভিড ইকে। ওই সভায় বক্তব্য পেশ করতে গিয়ে তিনি বলেন, “আমরা এখানে জড়ো হয়েছি কারণ একটি মারণ মহামারি দুনিয়া জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। সেটা কোভিড ১৯ নয়, সেটা হল ফ্যাসিবাদ”।
এখনও কেন বন্ধ লোকাল ট্রেন ? – চরম ক্ষতির মুখে ফুলিয়ার ছানা ব্যবসায়ীদের প্রশ্ন একটাই।
কলকাতার মিষ্টান্ন তৈরির মূল কাঁচামালটা দূর মফস্বলের ফুলিয়া থেকে সাপ্লাই হয়। লোকাল ট্রেন না চালানোয় এই সাপ্লাই-এ প্রচন্ড অসুবিধার মধ্যে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। ট্রেন চালু থাকলে শান্তিপুর- শিয়ালদা লাইনে দুপুর ১-১২ ও ২-২২ -এর ট্রেনে অন্তত ৫০০ জন প্রতিদিন শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষা ছানা নিয়ে যেতেন। রেলের একটা বিরাট রেভিনিউ থাকত। ৫৩৫ টাকা ভেন্ডার টিকিট ও মাল বুকিং সহ একটা বিরাট অঙ্কের টাকা আসত ছানা ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে। ব্যবসায়ীদের মাল নিয়ে যাওয়ার কোনো চিন্তা থাকতো না।
ভারত আর তিব্বতের মাঝে চীন-সীমান্ত এলো কোথা থেকে!
চীন শুধু তিব্বতই দখল করেনি। ১৮ লক্ষ বর্গকিলোমিটারের মুসলিম দেশ, উইঘুর পূর্ব তুর্কিস্তান ১৯৪৯ থেকে দখল করে আছে। ওই একই বছর দক্ষিণ মোঙ্গলিয়ার ১২ লক্ষ বর্গকিলোমিটার এবং মাঞ্চুরিয়ার ৮৪,০০০ বর্গকিলোমিটার গণপ্রজাতন্ত্রী চীনে জুড়ে দেওয়া হয়। বর্তমানে চীনদেশের ছিয়ানব্বই লক্ষ বর্গকিলোমিটার ভূমির ৬০ শতাংশই অধিকৃত অঞ্চল। কিন্তু চীনের এই জমি দখলের নক্সা এখানেই থেমে থাকেনা। চীনের ‘বেল্ট এন্ড রোড’ প্রজেক্ট গোটা দুনিয়ার শিল্পবাণিজ্যকে নিয়ন্ত্রণ করার ছক।
- « Previous Page
- 1
- …
- 14
- 15
- 16
- 17
- 18
- …
- 283
- Next Page »




সাম্প্রতিক মন্তব্য