ঘরে ঢুকেই নাবালক ছেলেটিকে চড়, থাপ্পর মারতে থাকে। সুফিয়ানের স্ত্রী নুরুন্নেসা ভয় পেয়ে লুকিয়ে পড়েন এবং আবু নিজে পালানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু চারি দিকে দাঁড়িয়ে থাকা পুলিশের হাতে ধরা পড়ে যান। চড়, থাপ্পর ছাড়াও, ডামাট (কোদালের কাঠের হাতল) দিয়ে হাতে-পায়ের আঙ্গুলে খুব মারা হয়। মেজ ছেলের বয়স দশ। তারও চুলের মুঠি ধরেছিল পুলিশ। ওয়াসিমের কথা মোতাবেক জনা ৩০/৪০ পুলিশ ছিল, যাদের মধ্যে এক জন মহিলা, দু’জন সিভিক ভলান্টিয়ার, বাকিরা সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর জওয়ান এবং সাদা পোশাকের। তবে কারও গায়ে সে বা তার মেজ আব্বা জিন্নাতুলের চোখে পড়েনি কারও পোশাকে নাম, পদ-মর্যাদা লেখা আছে কিনা। সুফিয়ানকে গাড়িতে তুলে জলঙ্গিতে সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর শিবিরে নিয়ে যায়। জিন্নাতুলকেও সঙ্গে যেতে বাধ্য করে। সকাল হলে তাঁকে বাস ভাড়া দিয়ে বাড়ি চলে যেতে বলে। তার আগে কিছু কাগজে স্বাক্ষর করিয়ে নেয়। এখন তিনি ও পরিবারের লোকেরা বলছেন, আবু কোথায় আছেন, কেমন আছেন সেটা জানতে পারছেন না। কিছু জিনিস বাড়ি থেকে নিয়ে গিয়েছে, কিন্তু তার কোন তালিকা দেওয়া হয়নি এবং তাঁরাও জানেন না কি কি নিয়ে গিয়েছে।
এমন দিন আসছে, যখন আপনি মানিব্যাগ খুলে ভাড়া দিতে পারবেন না। ছিনতাই হয়ে যাবে।
সাধারণ মুদিখানার আয় ২৫-৩০ শতাংশ কমেছে।
মিস্টির দোকানের আয় ৫০ শতাংশ কমেছে।
সবজির দোকানের বেচাকেনা ভালো না। শতাংশ হিসেব জানা সম্ভব হয়নি। ভ্যান রিক্সার আয় অনিয়মিত। দিনে ১০০-১৫০ টাকা। নির্মাণ কর্মীদের মজুরির দাম ঠিক আছে। কাজ অনিয়মিত। মাছের বাজার ভালো না। খরিদ্দার কম। পোল্ট্রি মাংসের বাজার ভালো। মাছ মাংস বিক্রেতাদের আয় জানা সম্ভব হয়নি। কলা বিক্রেতাদের ব্যবসা খারাপ আমফানের কারণে।
সবারই আয় বুঝে খরচ। ধারদেনার কথা স্পষ্টভাবে কেউ বলতে চায়নি। যারা টাকা ধার দেওয়ার কারবার চালায়, তারা জানিয়েছে- ধার নেবার লোকের সংখ্যা কমেছে। লোক বুঝে ধার দেওয়া হচ্ছে। টাকা শোধ দেওয়া অনিয়মিত। সরকারের কাছ থেকে কেউ কেউ বার্ধক্যভাতা, বিধবা ভাতা, শিল্পীভাতা, আমফানের ক্ষতিপূরন বাবদ টাকা পাচ্ছে। চাল, গম পাওয়া যাচ্ছে। তা বিক্রি করে কিছু টাকা পাওয়া যাচ্ছে। আগামীদিন কীভাবে চলবে কেউ স্পষ্ট কিছু জানেন না।
ঝাড়গ্রামে গাছ কাটা বন্ধ রাখার অন্তর্বর্তী আদেশ দিল কোলকাতা হাইকোর্ট
উন্নয়নের নামে নির্বিচারে গাছ কাটা ও পরিবেশ ধ্বংস বন্ধ করতে লড়াইয়ে নেমেছে স্বরাজ ইন্ডিয়া। সম্প্রতি সূত্রের মাধ্যমে খবর আসে উন্নয়নের নামে ঝাড়গ্রাম জেলা প্রশাসন নির্বিচারে সবুজ ধ্বংসের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বেলপাহাড়ী–বাঁশপাহাড়ী রোডে প্রাচীন গাছ সহ প্রায় ১৭৪ টি গাছ কাটার সিদ্ধান্ত নেয় জেলা প্রশাসন। খবর পেয়েই স্বরাজ ইন্ডিয়ার ঝাড়গ্রাম জেলা শাখা স্থানীয় জনমত সংগ্রহ করে এই তুঘলকী অন্যায় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আন্দোলন নেমে পড়ে।
বিশ্ব গাড়ি মুক্ত দিবসে সাইকেল-চাপা-লোক ও ট্রাফিক পুলিশের সাথে কথাবার্তা
জোরে গাড়ি ছোটানোর জন্য লোকে বাইপাস ব্যবহার করে, আবার দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা থেকে কাজের খোঁজে শহরে আগত গরীব মানুষেরা নিরুপায় হয়ে সাইকেল বেছে নেয়। কাজ নেই, রোজগার নেই, হাতে পয়সা নেই। বিপর্যস্ত মানুষ গাড়িভাড়া জোগাড় করবে কীভাবে? তাই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে, লজঝরে সাইকেল নিয়ে বেড়িয়ে পড়েছেন। সাইকেলের কলকব্জা দড়ি নতুবা তার দিয়ে বাঁধা। সাইকেলে টিউবের পরিবর্তে শুকনো কলা গাছ। তিরিশ চল্লিশ এমনকি পঞ্চাশ কিঃমিঃ দূর থেকে পরিবারের মুখে একমুঠো ভাত জোগাড়ের জন্য হার না মানা জেদে এরা কলকাতায় আসছেন। কিন্তু কলকাতা শহরে রাস্তা সাইকেল চালানোর জন্য নিরাপদ নয়।
‘অতিথ পাখি অতিথ পাখি পথিক পাখির ঝাঁক’
এই বছর শান্তিপুরের গঙ্গা সংলগ্ন এলাকার নীচু জলাশয় গুলিতে কিছু খয়রা কাস্তেচরা পাখি দেখা গেলেও, সংখ্যায় অন্যবারের চেয়ে অনেক কম। প্রায় প্রতিবছরই এদের সংখ্যা কমছে। নির্বিচারে পাখি শিকার, জলাশয় হ্রাস, জমিতে কীটনাশক প্রয়োগে খাদ্যের অভাব ইত্যাদি বিভিন্ন কারণে দিন দিন কমছে এদের সংখ্যা। পাখি সংরক্ষণের সঠিক সঠিক ব্যবস্থা এবং মানুষের মধ্যে সচেতনতা গড়ে তুলতে না পারলে আগামী দিনে বিরল প্রজাতির এই পাখি বিলুপ্তির পথে চলে যাবে, যা পাখিপ্রেমী মানুষের কাছে খুবই বেদনার। সেই সঙ্গে নষ্ট হবে প্রাকৃতিক ভারসাম্য।
- « Previous Page
- 1
- …
- 11
- 12
- 13
- 14
- 15
- …
- 283
- Next Page »





সাম্প্রতিক মন্তব্য