• প্রথম পাতা
  • আন্দোলন
  • কৃষি ও গ্রাম
  • খবরে দুনিয়া
  • চলতে চলতে
  • পরিবেশ
  • শিক্ষা ও স্বাস্থ্য
  • শিল্প ও বাণিজ্য
  • নাবালকথা

সংবাদমন্থন

পাতি লোকের পাতি খবর

  • Ponořte se do vzrušujícího světa kasina, kde Cadoola zajišťuje snadnou registraci, rychlé vklady a okamžité výplaty, čímž zaručuje bezproblémový herní zážitek pro každého hráče.

  • আমাদের কথা
    • যোগাযোগ
  • পত্রিকার কথা
    • পাক্ষিক কাগজ
    • জানুয়ারি ২০০৯ – এপ্রিল ২০১২
  • মন্থন সাময়িকী
    • মন্থন সাময়িকী নভেম্বর ডিসেম্বর ২০১৪
    • মন্থন সাময়িকী সেপ্টেম্বর-অক্টোবর ২০১৪
    • সাম্প্রতিক সংখ্যাগুলি
    • সাম্প্রতিক পিডিএফ
    • পুরনো সংখ্যাগুলি
  • Ikke bare tilbyr vi spennende spillopplevelser, men med Spinbara kan du enkelt spille dine favorittspill på både smarttelefoner og nettbrett, uansett hvor du befinner deg!

আসামে জাতিদাঙ্গার শিকার এবার সাঁওতালরাঃ মধ্য হলদিবাড়ি শরণার্থী শিবির ঘুরে

January 1, 2015 admin Leave a Comment

রামজীবন ভৌমিক ও শঙ্খ্যজিৎ দাস, ২৮ ডিসেম্বর#

সিতো হেমব্রমে ও তার বাচ্চারা। ছবি রামজীবন ভৌমিক। ২৮ ডিসেম্বর ২০১৪
সিতো হেমব্রমে ও তার বাচ্চারা। ছবি রামজীবন ভৌমিক। ২৮ ডিসেম্বর ২০১৪

মধ্য হলদিবাড়ির বেশিরভাগ অংশ আসামের কোকরাঝাড় জেলায়। কুমারগ্রাম থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার পূর্ব দিকে মধ্য হলদিবাড়ির দক্ষিণাংশে মধ্য-হলদিবাড়ি শরণার্থী শিবির।  একটিমাত্র ত্রিশ ফুট বাই চল্লিশ ফুট ঘর। পাকা দেওয়াল ও টিনের ছাওনি দেওয়া ফরেস্ট ডিপার্টমেন্টের তৈরি স্থানীয় কমিউনিটি হল।  ২৬ ডিসেম্বর শুক্রবার থেকে ১০৬জন সাঁওতাল ও দুজন ওরাও, এই ১০৮জন ভিটেমাটিহীন মানুষের ঠিকানা এখন কমিউনিটি হল।  চারপাশে কৃষিজমি। তার পাশে শ্যামল দাসের বাড়ি। শ্যামল দাস শরণার্থীদের পরিষেবায় বিশেষ যত্ন নিচ্ছেন।  ছয়জন সি আর পি এফ জওয়ান বন্দুক উঁচিয়ে পাহারা দিচ্ছেন।  কমিউনিটি হল থেকে অদূরে পলিথিন ঘেরা অস্থায়ী টয়লেট। ঘরের মেঝেতে খড় বিছিয়ে বিছানা করা।  ‘টুয়েলভ ইয়ার্স আ স্লেভ’ সিনেমায় দেখা ক্রীতদাস ক্রয়বিক্রয়ের দৃশ্যে সারিসারি বসে থাকা কৃষ্ণকায় অধোবদন অসহায় শিশু-কিশোর-কিশোরীদের মতো নারীপুরুষের নিশ্চুপ নিস্তব্ধ বসে থাকা। ১০৮ জন শরণার্থীর মধ্যে শিশু কিশোর কিশোরীর সংখ্যা ৪৬ জন।  তিনজন দুধের শিশুও চোখে পড়ল। গত শনিবার ২৭ ডিসেম্বর বনমন্ত্রী বিনয়কৃষ্ণ ও গৌতম দেব পরিদর্শন করে গেছেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখানে আসেননি।  স্থানীয় প্রশাসনের তৎপরতা চোখে পড়ল। সেলফ হেল্প গ্রুপ রান্না করা খাবার পরিবেশন করছে। শরণার্থীদের ব্যবস্থাপনা নিয়ে কোন অভিযোগ পাওয়া গেল না।
২৩ ডিসেম্বর মঙ্গলবার বিকেল থেকে সন্ধ্যা আসামের শোণিতপুর, এবং চিরং জেলার পাঁচটি জায়গায় এনডিএফবি (সংবিজিত) গোষ্ঠীর ধারাবাহিক হামলায় মৃত সাঁওতাল ও ওঁরাও মানুষদের খবর আলিপুরদুয়ার ও কোকড়াঝাড় বর্ডারের কুমারগ্রাম লাগোয়া গ্রাম — ফুলকুমারি, বালাগাও, ড্যামড্যামা ও সংকোশ নদীর টাপু (চর)-এ এসে পৌঁছায়। এখানকার সাঁওতাল মানুষেরা আতঙ্কিত হতে থাকে।  কুমারগ্রাম থেকে ৮-৯ কিমি দূরে আসামের কচুগাও অঞ্চলে সাঁওতাল হত্যা শুরু হয়। বাড়িঘরে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। ১৯৯৬ ও ১৯৯৮ সালের হত্যালীলার অভিজ্ঞতা থেকে সবাই খুব ভয় পেয়ে যায়। সবাই জান বাঁচাতে ২৫ ডিসেম্বর ঘর ছেড়ে বেরিয়ে পরে। হঠাৎ যে যেখানে যে অবস্থায় ছিল সেখান থেকেই নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটে চলে যায়। একদিন এক রাত গভীর বনের মধ্যে থেকে সংকোশ নদী পেরিয়ে কুমারগ্রামের কাছে চলে আসে। অনাহারে আর ঠাণ্ডায় এত শিশু কিশোর বৃদ্ধ-বৃদ্ধার অসহায় অবস্থা বর্ণনা করতে গিয়ে মধ্য হলদিবাড়ির স্থানীয় মানুষদের চোখে জল চলে আসে। ২৬ ডিসেম্বর শীতবস্ত্রহীন ঠাণ্ডায় কুঁকড়ে যাওয়া শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় পায় স্থানীয় প্রশাসনের তৎপরতায়।
আশ্রয় শিবিরে কথা হল বয়স চল্লিশের সিতো হেমব্রমের সাথে। পেশায় দিনমজুর, চার সন্তানের মা। সন্তানদের বয়স দু-বছর থেকে সাতবছর। কিছুদিন আগেই স্বামীকে হারিয়েছেন। স্বামী চাষের কাজে গিয়ে হাতির পদপিষ্ট হয়ে মারা গেছেন। মুখে শোকের অন্ধকার নিয়ে নিশ্চুপ হয়ে বসে আছেন। সন্তানেরা ঘিরে বসে আছে। তাদেরও চাঞ্চল্য আজ উড়ে গেছে।
কমিউনিটি হলের এক কোণে লালু সোরেনও নির্বাক পাথরের দৃষ্টি নিয়ে একদৃষ্টে কি যেন দেখছেন। দুই সন্তান লালু সরেনের কাছে থাকলেও ওদের মায়ের কোন খোঁজ নেই। আশেপাশের তিনটি শরণার্থী শিবিরে খোঁজ নিতে গিয়ে দেখেছেন কোথাও ওদের মায়ের খোঁজ নেই। আরেকজন শরণার্থী জানালেন খোঁজ নেই মানে তার জীবিত থাকার আশা লালু সরেন করছেন না।
শ্রী মণি মূর্মু নামে দুই কাকাতো-জ্যাঠাত বোন বালাপাড়া এম পি স্কুলের সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণীতে পড়ে। আত্মীয়বাড়ি ঘুরতে এলে আসামজুড়ে জঙ্গিহানার আতঙ্কের মধ্যে পড়ে গিয়ে জঙ্গলে লুকিয়ে পড়ে। এখন মধ্যহলদিবাড়ি শরণার্থী ক্যাম্পই ওদের ঠিকানা।  বাবামায়ের খবর ওদের অজানা। বেঁচে আছে কি? এই প্রশ্ন ওদের তাড়া করে ফিরছে।

মানবাধিকার আদিবাসী, আসাম, আসামে জাতিদাঙ্গা, চা-শ্রমিক, বোড়ো আদিবাসী জাতিদাঙ্গা, শরণার্থী শিবির

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অনুসন্ধান করুন

সংবাদ মন্থন

  • ছিটমহল
  • মাতৃভূমি লোকাল

খবরের মাসিক সূচী

মেটা

  • Log in
  • Entries feed
  • Comments feed
  • WordPress.org
aviator game online best non gamstop casino chicken road game olimp casino вход non gamstop casino

সাম্প্রতিক মন্তব্য

  • Shamik Sarkar on “আমি চলে গেলে তার জন্য আমার বন্ধু বা শত্রুদের বিব্রত কোরো না” – আত্মঘাতী গবেষক রহিত ভেমুলার শেষ চিঠি
  • Chinmay Biswas on “আমি চলে গেলে তার জন্য আমার বন্ধু বা শত্রুদের বিব্রত কোরো না” – আত্মঘাতী গবেষক রহিত ভেমুলার শেষ চিঠি
  • Ani Dutta on “আমি চলে গেলে তার জন্য আমার বন্ধু বা শত্রুদের বিব্রত কোরো না” – আত্মঘাতী গবেষক রহিত ভেমুলার শেষ চিঠি
  • arvind anjum on বাউল ফকির সঙ্ঘের তেত্রিশতম সম্মেলনে পঠিত বার্ষিক প্রতিবেদন

ফোরাম

লে-আউট সহায়তা

সংবাদমন্থন প্রিন্ট >>
 
নমুনা ল্যাটেক>>

songbadmanthanweb [at the rate] gmail.com · যোগাযোগ · দায়দায়িত্ব · Log in