সভ্যতার গোডাউন আসলে জতুগৃহ, প্রভাতী সাইকেল সফর সেরে ফেরার সময় একথাই বলল সঙ্গী অনিলদা। আমি ভাবছিলাম, পাঁচশ’ টাকা রোজ-এ ডেকোরেটরের কাজ করতে এত দূর দূর থেকে এরা আসে! অনিলদা বলল, মাসে ১০-১২-১৫ হাজার, এটাই তো লেবারদের আয়। সে যে কাজই হোক। ঠিকই। পরিসংখ্যানও তাই। একশ’ দিনের কাজ উঠে গেছে বেশ কয়েক বছর। ফলে কম পয়সায় লেবার পাওয়াও বেড়েছে নিশ্চয়ই। আর-বাংলার এক সাংবাদিক অ্যাঙ্করিং করছিল লাইভ, “কর্মসংস্থান হচ্ছে মানছি, কিন্তু এইভাবে জলাজমির মধ্যে… ” – কিন্তু এর নাম কর্মসংস্থান? দাহ্যবস্তুতে ভর্তি ডেকোরেটর্সের গুদামে রাতে থাকা, সেখানেই সিলিন্ডার জ্বালিয়ে রান্না, দিন গেলে আয় পাঁচশ’ টাকা। পেটের দায়ে মেদিনীপুর মুর্শিদাবাদ থেকে কলকাতা এসে বেঘোরে পুড়ে মরল যারা, তাদের এই সস্তার শ্রমেই তো আমাদের বিয়েবাড়িগুলো ঝকমক করে এই সিজনে!
রোজ বারো ঘন্টা ডিউটি। সপ্তাহে সাতদিন। সিকিউরিটি গার্ডের কাজে মাসমাইনে সাড়ে পাঁচ হাজার
বেনজির মানব। চিংড়িপোতা, মহেশতলা। ৩০ জুলাই, ২০২০।# বজবজের সুভাষ উদ্যানে ময়লাডিপোতে গেঞ্জি ফ্যাক্টরি। ওখানে আমাদের গার্ডের কাজ। আমরা দুজন কাজ করছি। গেঞ্জির উপর প্রিন্ট হয়, এখন মাস্কের উপরও ছবি প্রিন্ট হচ্ছে। সেলাই হয় নিউ আলিপুরে। ফ্যাকট্রি ছোটো হয়ে গেছে, পাঁচ-ছ’জন কাজ করছে। একটা শেডের চাল উড়ে গেছে আমফান ঝড়ে। সেই শেড টা বন্ধ।চিংড়িপোতা থেকে চল্লিশ-পঁয়তাল্লিশ […]


সাম্প্রতিক মন্তব্য