সভ্যতার গোডাউন আসলে জতুগৃহ, প্রভাতী সাইকেল সফর সেরে ফেরার সময় একথাই বলল সঙ্গী অনিলদা। আমি ভাবছিলাম, পাঁচশ’ টাকা রোজ-এ ডেকোরেটরের কাজ করতে এত দূর দূর থেকে এরা আসে! অনিলদা বলল, মাসে ১০-১২-১৫ হাজার, এটাই তো লেবারদের আয়। সে যে কাজই হোক। ঠিকই। পরিসংখ্যানও তাই। একশ’ দিনের কাজ উঠে গেছে বেশ কয়েক বছর। ফলে কম পয়সায় লেবার পাওয়াও বেড়েছে নিশ্চয়ই। আর-বাংলার এক সাংবাদিক অ্যাঙ্করিং করছিল লাইভ, “কর্মসংস্থান হচ্ছে মানছি, কিন্তু এইভাবে জলাজমির মধ্যে… ” – কিন্তু এর নাম কর্মসংস্থান? দাহ্যবস্তুতে ভর্তি ডেকোরেটর্সের গুদামে রাতে থাকা, সেখানেই সিলিন্ডার জ্বালিয়ে রান্না, দিন গেলে আয় পাঁচশ’ টাকা। পেটের দায়ে মেদিনীপুর মুর্শিদাবাদ থেকে কলকাতা এসে বেঘোরে পুড়ে মরল যারা, তাদের এই সস্তার শ্রমেই তো আমাদের বিয়েবাড়িগুলো ঝকমক করে এই সিজনে!
বাংলাদেশের আশুলিয়ায় রপ্তানিযোগ্য পোশাক কারখানায় আগুন, পুড়ে খাক শতাধিক
“ মালিকরা শ্রমিকদের মূল্যায়ন করে না। তাদের দৃষ্টিতে শ্রমিকরা যেন চোর। সেই কারণে কারখানার দরজা, প্রধান ফটক তালাবদ্ধ করে রাখে। আর তাতে আগুন লাগলে শ্রমিকরা অবরুদ্ধ হয়ে মারা যায়। এটা এক ধরনের হত্যাকাণ্ড। নাজমা বেগম, সম্মিলিত গার্মেন্টস ফেডারেশনের সভাপতি ‘দৈনিক সংগ্রাম’ পত্রিকায় প্রকাশিত (নিশ্চিন্তপুর ঘুরে এসে শাহেদ মতিউর রহমান ও তোফাজ্জল হোসেন কামাল-এর) রিপোর্টের ভিত্তিত# […]
মধ্যরাতে হাতিবাগান বাজারে আগুন, হকার-ছোটো দোকানির চরম ক্ষতি
শ্রীমান চক্রবর্তী ও দীপক বসু, হাতিবাগান, ২৮ মার্চ। ছবি প্রত্যুষা জানার তোলা ২২শে মার্চ বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে উত্তর কলকাতার অন্যতম পুরোনো হাতিবাগান বাজার বিধ্বংসী আগুনে প্রায় আশি ভাগ পুড়ে গেল। বিধান সরণির দিকের বিল্ডিং-এর পশ্চিম অংশে এই আগুন লাগে এবং নিমেষের মধ্যেই তা বাজারের পুরো দক্ষিণ-পশ্চিম, পশ্চিম ও মধ্যভাগকে পুড়িয়ে দেয়। বাজারের ভিতরের প্রায় ৬০০ দোকান […]

সাম্প্রতিক মন্তব্য