১৯৯৬ থেকে এই ব্যাটারি কারখানা ইঞ্জিনিয়ারিং স্টেটাসেই চলছে। অথচ অ্যাসিড, লেড অক্সাইডের মত মারাত্মক সব কেমিক্যাল নিয়ে ওনাদের কাজ। বহু শ্রমিক কাজের মেয়াদ ফুরনোর আগেই এঁকেবেঁকে চলতে শুরু করেন। যতই মাস্ক পরুন না কেন, পরীক্ষা করলে শরীরে লেডের পরিমাণ পাওয়া যায় বিপদসীমার উপরে। আটঘন্টায় যথেষ্ট পরিশ্রমের কাজ। বিশেষত যারা অ্যাসেম্বলি বা ডিজাইনিং বিভাগে কাজ করেন। বেশিরভাগ কাজই ম্যানুয়ালি করতে হয়।
সুফল বাংলায় আলুর সরকারি দর ২৫ টাকা প্রতি কিলো আর স্কুল দপ্তরের জন্য বরাদ্দ কিলো প্রতি ৩৮ টাকা
‘আলু নিতে গিয়ে তো পটল তুলে ফেলবেন। লাইনটা রাস্তা থেকে নামান।’ লাইন প্রায় পৌঁছল শনিমন্দির অবধি। শুরু হল টোকেন দেওয়া। লাইন খানিকটা এগোনোর পর শুনলাম টোকেন ৫০ টা দেওয়া হবে। কারণ আলু কম। পরিমাণ ৫ কেজির বদলে ৩ কেজি। বিস্ত্র ঠেলাঠেলি। কে হবে ওই ৫০ জনের মধ্যে একজন। আমার অবশ্য একটু সুবিধে হয়েছিল কারণ আমি ওইদিন দু’বার গেছি আলুর খোঁজে। তার ওপর সন্ধেবেলায় সবার প্রথম। এক ভদ্রমহিলাকে বলতে শুনলাম, আমি তো চন্দ্রমুখী খাই। দেখলাম যখন ২৫ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে, যাই নিয়ে ৩ কেজি। পরের ভদ্রলোকটি বলে উঠল, তা আপনি যখন চন্দ্রমুখীর দলে, তবে কেন এই বিধুমুখীর খোঁজ? টোকেনটা দিন, আমি বরং নিই। আমরা এতজন লাইন দিয়ে আছি সেই বিকেল থেকে।
বইখাতা বাঁধাইয়ের কাজেই দক্ষতার দাম বাঁধেন পরমেশদা
স্কুলের শিক্ষকের কাছে প্রথম অনুপ্রেরণা পান বই বাঁধাইয়ের কাজে। কখনও মামা বা অন্য কারোর দেখে। আবার কখনও বাঁধানো বই দেখেই কাজ শেখা শুরু। তারপর থেকে চলছে পুরনো সখের বই, অফিসের মোটা মোটা দরকারি খাতা বাঁধাইয়ের কাজ। শুরুতে একটু অসুবিধা হত।বাঁধাইয়ের সব প্যাঁচ-পয়জার তো জানতাম না। তখন প্রয়োজন পড়লো একজন গুরুর। যার কাছে কাজটা শেখা যায়। একজন বললো ‘দেখো বাপু শেখাতে টেখাতে পারবো না। তুমি ফুলিয়া পলিটেকনিকে ভর্তি হয়ে যাও।
মার্কিন মুলুকে নির্বাচন : বার্নি স্যান্ডার্সের প্রচারের একজন সমর্থকের সঙ্গে কিছু আলাপ, কয়েক মাস আগে
করোনা লকডাউনের আগে বা শুরুর দিকে সৌরভ সরকারের সঙ্গে এই বাক্যালাপ হয়। তারপর তো স্যান্ডার্স ডেমোক্রেটিক পদপ্রার্থী হওয়ার দৌড় থেকে সরে যায়। এখন ভোট-ও হয়ে যেতে চলল। সৌরভকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, কী বুঝছ? বলল, টাচ উড। ট্রাম্প হারছে। আমরা আপাততঃ চুপটি করে আছি। ঘাপটি মেরে আছি। ইলেকশন মিটে গেলেই রাস্তায় নেমে পড়ব মার্কিন এস্টাব্লিশমেন্টের বিরোধিতা নিয়ে। তা সে যে-ই জিতুক।
ঘাসবন, জলাজমি কমে যাওয়ায় চোখেই পড়ে না লালমুনিয়া
আচমকা সুযোগ হাতছাড়া হওয়ায় মনটা খারাপ হয়ে গেল। ঠিক হাতছাড়া বলব না, মাত্র কয়েক সেকেন্ডের জন্য দেখতে পেয়েছিলাম। ভাবলাম নিশ্চয়ই আবার দেখতে পাব, প্রায় ঘন্টা দুয়েক কাটিয়ে দেওয়ার পরও কিছু দেখতে পেলাম না। বিষন্ন মনে ফিরে এলাম, ঠিক করলাম আবার আসব। পরের দুদিনও হতাশা নিয়ে ফিরলাম। অবশেষে তৃতীয় দিনে আমি তাকে ফ্রেমবন্দী করতে পারলাম।
- « Previous Page
- 1
- …
- 6
- 7
- 8
- 9
- 10
- …
- 283
- Next Page »




সাম্প্রতিক মন্তব্য