অতিমারীর সময় যখন সরকার দেশের সমস্ত নাগরিকদের ঘরে থাকার নিদান দিচ্ছে প্রতিদিন, তখন দেশের কোথাও না কোথাও প্রতি ঘন্টায় ২৫ জন করে ঘর ছাড়া হচ্ছেন। উচ্ছেদ ও ঘরভাঙা হচ্ছে যথাক্রমে ৫২০ জন ও ১১০ টি। মহামারীর সময় জোর করে উচ্ছেদ হয়েছে মার্চ থেকে জুলাই মাসে প্রায় ২৫ হাজার মানুষ। ২০১৭-১৯ সালে বাড়ি ভাঙা হয়েছে ১ লাখ ১৮ হাজার। এই সময় পর্বে অর্থাৎ তিন বছরে প্রায় ছ’লাখ মানুষকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। বলা বাহুল্য দেশের গরীব, প্রান্তিক স্তরের মানুষ এই উচ্ছেদের শিকার।
এ ভরা বাদর মাহ ভাদর / শূণ্য মন্দির মোর
বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন, ১৯৭২ অনুযায়ী ময়ূর কারো অধিকারভোগে এলে তাকে তৎক্ষণাৎ গ্রেপ্তার করা যায় এবং সাত বছরের জেল কিম্বা ৬০,০০০ টাকা জরিমানা কিম্বা দুটোই হতে পারে।
ক্ষমা চাওয়ার অর্থ নিছক মন্ত্র আওড়ানো হতে পারেনা। কোনো ক্ষমাপ্রার্থনা হতে হবে অকপট
আমি বিশ্বাস করি যে সুপ্রিম কোর্টই মৌলিক অধিকার, প্রহরী প্রতিষ্ঠানসমূহ এবং স্বয়ং সাংবিধানিক গণতন্ত্র রক্ষার সর্বোচ্চ দুর্গ। যথার্থই বলা হয়ে থাকে যে এটি গণতান্ত্রিক দুনিয়ায় সবচেয়ে শক্তিশালী ন্যায়ালয় এবং নিয়ত সারা দুনিয়ার বিচারালয়গুলির একটি দৃষ্টান্তস্বরূপ। আজকের এই সমস্যাঘন সময়ে, ভারতের অধিবাসীরা তাদের প্রত্যাশা এই আদালতের পরে ন্যস্ত করে আইনের শাসন সুনিশ্চিত করতে, তার কার্যনির্বাহীদের অবাধ শাসনের উপর নয়।
মুফু কিম্বা মোহাব্বৎ- এভাবে সংসার আর চলে না
গাড়ি ফেলে রাখলে ব্যাটারি বসে যেতে পারে- এই আশঙ্কায় প্রতিদিন রাস্তায় বেরতে হয়, অথচ প্যাসেঞ্জার খুবই কম। বেশিরভাগই একজন প্যাসেঞ্জার নিয়ে টোটো গাড়িগুলো ছুটছে। ন্যূনধিক ভাড়া মাথাপিছু দশ টাকা। রাস্তায় টোটো গাড়ির সংখ্যাও বেড়েছে। কিন্তু খদ্দের কোথায়?
সরকার চাল দিচ্ছে বলে কোনোরকমে সংসার চলে যাচ্ছে। চালের পরিমাণ কমিয়ে দিয়ে সরকার ঠিক কাজ করেনি মত দিলেন মুফু।
দেখে নিন বিশ্ব গণমাধ্যম স্বাধীনতা সূচকে পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্রের স্থান
কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টের ২০১৯ সালের গ্লোবাল ইমপিউনিটি ইনডেক্সে ভারত ১৩তম স্থানে রয়েছে। সাংবাদিকদের হত্যা, তাদের বিরুদ্ধে সহিংসতা এবং হয়রানির প্রতিবিধান এবং দোষীদের বিচারের আওতায় না আনার উপর নির্ভর করে এই সূচক করা হয়। নারী সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে সহিংসতায় ভারত হল তৃতীয় সর্বোচ্চ দেশ। কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবেলায় নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে সমন্বয়হীনতা, কর্মপরিকল্পনায় অস্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে সাংবাদিকসহ যারাই কথা বলছেন তারাই হামলা-মামলা এবং হয়রানির শিকার হচ্ছেন। সিএএ এবং নাগরিক নিবন্ধন পঞ্জীর (এনআরসি) বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা এবং আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অতিরিক্ত বল প্রয়োগের প্রবণতা দেখা গেছে। বিশেষত জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ হামলা, গুলি, যৌন হয়রানির ঘটনা ঘটেছে। এই বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে মুসলিম পাড়া-মহল্লায় হামলার ঘটনায় কমপক্ষে ৫৩ জন নিহত এবং শত শত আহত হয়েছেন বলে খবর বেরিয়েছে। এই ধরণের ঘটনায় ভারতের ধর্মনিরপেক্ষতায় গর্বিত ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে।
- « Previous Page
- 1
- …
- 17
- 18
- 19
- 20
- 21
- …
- 283
- Next Page »





সাম্প্রতিক মন্তব্য